শিরোনাম :
খালি পেটে যেসব খাবার খাওয়া ক্ষতি ডেকে আনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পানিতে যা মিশিয়ে তৈরি করবেন ভেষজ মানসিক চাপ দূর করে লবঙ্গ সূর্যের আলো কি করোনা মারতে পারে? হঠাৎ তীব্র গরম, সোমবারের অপেক্ষায় সিলেটের মানুষ ছাতক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বাবলু এর মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা এমপি মিলাদের সাথে পরামর্শ সভা ক্যানসার প্রতিরোধ করে টমেটো হাটহাজারী মাদ্রাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক রাহবার আল্লামা শফী দাঁতের অসহ্য যন্ত্রণায় যা করবেন সিলেটে একদিনে করোনায় আক্রান্তের চেয়ে সুস্থ দ্বিগুণ সিলেটে শনিবার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় আল্লামা শফী আর নেই সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন আপনার ডায়াবেটিস রসুন যেভাবে ওজন কমায় লঞ্চে নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা, সেই ব্যক্তি গ্রেপ্তার শুক্র-শনিবার নগরীর যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না নবীগঞ্জে বাবার বিরুদ্ধে নিজ মেয়েকে ধর্ষনের অভিযোগ নেইমার নিষিদ্ধ ২ ম্যাচ একসঙ্গে হেঁটে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীকে আটকে মারধর, ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি তুলে টাকা দাবি বন্দরবাজার জুয়ার আসরে পুলিশের হানা, আটক ২ ইউএস-বাংলায় এইচএসসি পাসে চাকরি সিলেটের ওসমানীসহ ১২টি হাসপাতালে বন্ধ হচ্ছে করোনা চিকিৎসা নব গঠিত বিশ্বনাথ উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদল কে ছাত্রনেতা তানিমের অভিনন্দন নবীগঞ্জে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তা ও ড্রেনেজ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি মিলাদ জাতিসংঘের তিন সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ আগের শর্তেই খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ল নভেম্বরেই সাধারণের জন্য টিকা আনবে চীন বুয়েটের আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২৫ আসামির বিচার শুরু টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিল আরব আমিরাত
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন




অতিমাত্রায় স্ক্রিনে তাকালে শিশুদের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয়

প্রতিবেদকের নাম / ৩২ Time View
আপডেটের সময় : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ  বর্তমানে অনেক বাচ্চাদেরই ডিজিটাল ডিভাইসের সামনে বসিয়ে দেন বাবা-মায়েরা। এতে আস্তে আস্তে শিশুরা মোবাইল, কম্পিউটার বা টেলিভিশনের মতো ডিজিটাল স্ক্রিনে বেশি সময় কাটাতে চায়। এই করোনাকালীন সময়ে এই অভ্যাস বাচ্চাদের বেড়েছে। দিনের একটা লম্বা সময় তারা ডিজিটাল স্ক্রিনে কাটাচ্ছে। শিশুরা বেশি সময় ধরে ডিজিটাল স্ক্রিনে সময় কাটালে কয়েকটি মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। চলুন এসব ক্ষতি সম্পর্কে জেনে নিই-

জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এক গবেষণায় জানিয়েছে, বেশি সময় স্ক্রিনে কাটালে বাইরে যাওয়া ও শারীরীক কসরত কমে যায়। শিশুরা বাইরে খেলাধুলা করা বা দৌড়াদৌড়ি করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। যার কারণে শিশু-কিশোরদের ওজন বৃদ্ধি ও স্থুলতাজনিত সমস্যাসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া:

শিশু হোক বা বয়স্ক, ডিজিটাল ডিভাইসের স্ক্রিনে বেশি সময় কাটালে চোখের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তবে সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দেয় শিশু ও কম বয়সীদের। তাদের মধ্যে মায়োপিয়া নামের এক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যার ফলে, তারা দূরের জিনিস ঝাঁপসা দেখে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল স্ক্রিনে মুখ গুঁজে থাকা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সূর্যের আলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে না তাকানোর কারণে এমনটি হয়ে থাকে।

শিশুদের মস্তিষ্ক বিকাশে বাধা:

যু্ক্তরাষ্ট্রে সাড়ে চার হাজার শিশুর ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশুরা দুই ঘণ্টা ডিজিটাল স্ক্রিনে সময় কাটায়, ৯-১১ ঘণ্টা ঘুমায় এবং এক ঘণ্টা অন্যান্য শারীরীক কসরত করে তারা যেসব শিশুরা এসব নিয়ম মানে না তাদের চেয়ে অনেক বেশি ভালো থাকে। কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা বলছেন, ১৮ মাস বয়স হওয়ার আগে শিশুদের স্ক্রিন দেখানো উচিত নয়। এই বয়সে শিশুরা বেশি সময় স্ক্রিনে কাটালে ভাষা শিখতে বা কথা বলতে দেরি হতে পারে এবং তারা মানুষের সঙ্গে সহজে মিশতে পারে না। এমনকি তাদের মস্তিষ্কের বিশাকের ক্ষেত্রেও সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া বাচ্চারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ডিজিটাল মুখি হয়ে পড়লে তাদের মধ্যে মনোযোগহীনতা, বিস্মৃতি এবং অতিরিক্ত আবেগপ্রবণতা দেখা দেয়।

বিষন্নতা ও উদ্বেগ:

যুক্তরাজ্যের জনস্বাস্থ্যবিষয়ক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বেশি পরিমাণে টেলিভিশন দেখার কারণে শিশু ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এর কারণে নিজেকে মূল্যহীন মনে হওয়া, আত্মমর্যাদা কমে যাওয়া ও মন খারাপ হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। এছাড়া যারা কম্পিউটার বা ভিডিও গেমে বেশি সময় কাটায় তাদের মধ্যে মানসিক সমস্যা, বিষন্নতা ও উদ্বেগ দেখা দেয়।

বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা কমে যাওয়া:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানের অধ্যাক ড. মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান বলেন, মানুষ যখন বেশি সময় ধরে স্ক্রিনের সামনে থাকে তখন সে এক ধরনের পরোক্ষ গ্রহীতা হয়ে যায়। ফলে তার সামনে যদি এমন কোনো কন্টেন্ট আসে যা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করতে হয় না, সে যদি সেগুলো গ্রহণ করতে থাকে তাহলে তার স্বাভাবিক বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা কমে যায়। একসময় সে আর কঠিন কোনো কাজ বা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

যা করা জরুরি:

এতক্ষণ যেসব শারীরীক এবং মানসিক সমস্যার কথা আমরা জানলাম। সেগুলো থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো স্ক্রিন টাইম কমাতে হবে। ইউনিভার্সিটি অব গ্লাসগো পরিচালিত এক গবেষণা বলছে, মানুষ যদি প্রতিদিন স্ক্রিন টাইম দুই ঘণ্টা কমিয়ে দেয় তাহলে সাধারণ মৃত্যুহার ৫.৬২ এবং হৃদরোগে মৃত্যুহার ৭.৯৭ ভাগ কমিয়ে আনা যায়।

স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনতে হলে অবসর সময়ে কী করবেন সে বিষয়ে পরিকল্পনা করুন এবং লক্ষ্য ঠিক করুন। যেমন, গল্পের বই পড়া, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানো বা ঘুরতে যাওয়া। নতুন কিছু শেখা বা কোনো শখ থাকলে সে সম্পর্কিত কাজও করতে পারেন। আর অবশ্যই বাড়ির শিশুদের এই কাজে যুক্ত করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর