শিরোনাম :
খালি পেটে যেসব খাবার খাওয়া ক্ষতি ডেকে আনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পানিতে যা মিশিয়ে তৈরি করবেন ভেষজ মানসিক চাপ দূর করে লবঙ্গ সূর্যের আলো কি করোনা মারতে পারে? হঠাৎ তীব্র গরম, সোমবারের অপেক্ষায় সিলেটের মানুষ ছাতক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বাবলু এর মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা এমপি মিলাদের সাথে পরামর্শ সভা ক্যানসার প্রতিরোধ করে টমেটো হাটহাজারী মাদ্রাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক রাহবার আল্লামা শফী দাঁতের অসহ্য যন্ত্রণায় যা করবেন সিলেটে একদিনে করোনায় আক্রান্তের চেয়ে সুস্থ দ্বিগুণ সিলেটে শনিবার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় আল্লামা শফী আর নেই সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন আপনার ডায়াবেটিস রসুন যেভাবে ওজন কমায় লঞ্চে নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা, সেই ব্যক্তি গ্রেপ্তার শুক্র-শনিবার নগরীর যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না নবীগঞ্জে বাবার বিরুদ্ধে নিজ মেয়েকে ধর্ষনের অভিযোগ নেইমার নিষিদ্ধ ২ ম্যাচ একসঙ্গে হেঁটে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীকে আটকে মারধর, ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি তুলে টাকা দাবি বন্দরবাজার জুয়ার আসরে পুলিশের হানা, আটক ২ ইউএস-বাংলায় এইচএসসি পাসে চাকরি সিলেটের ওসমানীসহ ১২টি হাসপাতালে বন্ধ হচ্ছে করোনা চিকিৎসা নব গঠিত বিশ্বনাথ উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদল কে ছাত্রনেতা তানিমের অভিনন্দন নবীগঞ্জে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তা ও ড্রেনেজ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি মিলাদ জাতিসংঘের তিন সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ আগের শর্তেই খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ল নভেম্বরেই সাধারণের জন্য টিকা আনবে চীন বুয়েটের আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২৫ আসামির বিচার শুরু টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিল আরব আমিরাত
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন




জেনে নিন গ্লুকোমার ঝুঁকি

প্রতিবেদকের নাম / ২৮৪ Time View
আপডেটের সময় : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২০

বয়স ৪০ বছর পার হলেই গ্লুকোমা আছে কি না, পরীক্ষা করানো জরুরি।

অনিরাময়যোগ্য অন্ধত্বের প্রধানতম কারণ গ্লুকোমা। বিশ্বে প্রায় ৪৫ লাখ মানুষ গ্লুকোমার স্থায়ী অন্ধত্বের শিকার ও ৮ কোটি মানুষ গ্লুকোমায় আক্রান্ত। এর বেশির ভাগই এশিয়ার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বাসিন্দা। অথচ অনেক মানুষই এই সমস্যা সম্পর্কে জানে না।

গ্লুকোমা চোখের প্রধান স্নায়ু রজ্জুর (অপটিক নার্ভ) একটি রোগ। এ সমস্যায় স্নায়ু রজ্জু ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে, দৃষ্টির পরিসীমা ক্রমেই কমে আসে। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না করালে সমস্যাটির পরিণতি হতে পারে অন্ধত্ব।

গ্লুকোমার জন্য চোখের অন্তর্গত উচ্চ চাপকে অন্যতম দায়ী বলে মনে করা হয়। অন্যান্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বংশগত ইতিহাস (যাদের মা-বাবা, ভাইবোনের মধ্যে কেউ এ রোগে আক্রান্ত, তাদের ঝুঁকি অপেক্ষাকৃত বেশি), ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, চোখের মাইনাস বা প্লাস পাওয়ার, মাইগ্রেন, চোখের আঘাত, চোখের অন্যান্য রোগ এবং চিকিৎসকের উপদেশ ছাড়া অনিয়ন্ত্রিতভাবে স্টেরয়েড–জাতীয় চোখের ড্রপ ব্যবহার।

সচেতনতার বিকল্প নেই

বয়স ৪০ বছর পার হলেই গ্লুকোমা আছে কি না, পরীক্ষা করানো জরুরি। কোনো সমস্যা না থাকলেও বছরে এক বা দুবার নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করাতে হবে। শুধু চোখের পাওয়ার নয়, চিকিৎসককে বলুন চোখের চাপ, স্নায়ু রজ্জুর (অপটিক নার্ভ) অবস্থা এবং দৃষ্টির পরিসীমা পরীক্ষা করতে। যাঁদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাঁদের আরও বেশি সাবধান হতে হবে।

কখনো কখনো জন্মগতভাবে বা বাড়ন্ত বয়সেও এ রোগ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে জন্মের পর শিশুর চোখ থেকে পানি পড়া, আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা, অস্বচ্ছ মণি এবং অক্ষিগোলক বড় হতে থাকা—এমন লক্ষণ দেখা গেলে শিশুর চোখ গ্লুকোমায় আক্রান্ত কি না, দ্রুত পরীক্ষা করাতে হবে।

চিকিৎসা

সাধারণত তিন উপায়ে গ্লুকোমার চিকিৎসা করা হয়। চোখের বিভিন্ন ড্রপ, লেজার ও গ্লুকোমা সার্জারি। এ সমস্যার সব ধরনের প্রচলিত চিকিৎসা আমাদের দেশেই সম্ভব এবং সুলভ।

সূত্রঃ প্রথম আলো 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর